Published : 09 Jul 2026, 05:56 AM
রাজধানীর আদাবরে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ আবুল বাশার (৪৫) ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন। এই হামলায় মোঃ সাদ্দাম (৩৫) গুরুতর আহত হন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে আদাবরের নবোদয় হাউজিংয়ের চার রাস্তার মোড়ে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে এক সালিশ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে। নিহত আবুল বাশার একটি বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। খেলা সংক্রান্ত বিতর্কের মীমাংসার পথে ৮ থেকে ১০ জন লোক ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষের ফলে আবুল বাশার এবং সাদ্দাম মারাত্মকভাবে আহত হন।
পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা জানিয়েছেন, নিহত আবুল বাশার বিএনপির নবোদয় হাউজিং ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাঁকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে। পুলিশ আরও জানায়, কিছুদিন আগে বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাচ দেখা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা হাবিব এবং এক কিশোরের মধ্যে বাঁশি বাজানোকে কেন্দ্র করে তীব্র বিবাদ সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে হাতাহাতি ও উত্তেজনায় রূপ নেয়। বুধবার রাতে আদাবরের নবোদয় কাঁচাবাজার সংলগ্ন ডি-ব্লকের ১ নম্বর সড়কে সালিশের শেষ পর্যায়ে এই সংঘর্ষের পুনরাবৃত্তি ঘটে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া হয়। আবুল বাশার ও সাদ্দামকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ১২টার দিকে আবুল বাশারের মৃত্যু হয়।
সাদ্দাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত আবুল বাশারের বড় ভাই সবুজ মিয়া জানান, পূর্বশত্রুতার কারণেই এই হামলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আবুল বাশার একটি সালিশ বৈঠকে গিয়েছিলেন এবং ফেরার পথে এই আক্রমণ ঘটে। স্বজনদের বক্তব্য অনুযায়ী, আবুল বাশার পেশায় প্রাইভেটকার চালক ছিলেন এবং তিনি আদাবরের নবোদয় হাউজিং ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করতেন।।
মিরপুরে দেয়ালধসের মর্মান্তিক পরিণতি: টিসিবির পণ কেনার সময় আরও একজনের মৃত্যু